মুস্তাফিজ-ওয়ার্নারে হায়দরাবাদের জয়

ভক্ত-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন কাটার-মাস্টার
Share Button

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পুঁজি ৫ উইকেটে ১৯৪ রান। এই রান নিয়েও হয়তো শঙ্কায় ছিলেন ওয়ার্নার। দলের বোলাররা যেভাবে মার খাচ্ছিলেন তাতে হায়দরাবাদ অধিনায়কের মুখ মলিন হতে শুরু করেছিল। তার ওপর উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিলেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বিরাট কোহলি। তবে মুস্তাফিজুর রহমানের অসাধারণ নৈপুণ্যে সেটা আর করতে পারলেন না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক।

দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে কোহলিকে আশিষ রেড্ডির তালুবন্দী করান মুস্তাফিজ। এতে বিপদ কাটে হায়দবাদের। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়েছে তারা। রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে বেঙ্গালুরুকে ১৫ রানে হারিয়েছে মুস্তাফিজের দল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ ভালোই খেলছিল বেঙ্গালুরু। ওপেনিং জুটিতে ৪২ রান করেন বিরাট কোহলি ও লোকেস রাহুল। ব্যক্তিগ প্রথম ওভারে এসেই এই জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের কাটার মাস্টার প্যাভিলিয়নের পথ দেখান বিরাট কোহলিকে। ১৭ বলে একটি চারের সাহায্যে ১৪ রান করেন কোহলি। অপর ওপেনার রাহুলকে সাজঘরে ফেরান হেনরিকস। বিদায়ের আগে ২৮ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ৫১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।

শেন ওয়াটসন ২ রান করার পর রানআউটের শিকার হন। দুইবার জীবন পেয়ে বেশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে শুরু করেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। দক্ষিণ আফ্রিকার এই মারকুটে ব্যাটসম্যানকে শিকারের পরিণত করেন বারীন্দার স্রান। ৩২ বলে ৩টি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৭ রান করেন ভিলিয়ার্স। শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর ইনিংস থামে ১৭৯ রানে। ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে একটি উইকেট পকেটে পুরেছেন মুস্তাফিজ। এক ছাড়া একটি করে উইকেট দখলে নিয়েছেন বারীন্দার স্রান, হেনরিকস, আশিষ নেহরা ও বিনয় কুমার।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলীয় ২৮ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ানের উইকেটটি হারিয়ে ফেলে তারা। ১১ বলে ২টি চারে ১১ রান করে কেন রিচার্ডসনের শিকার হন শিখর। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সেই ধাক্কা ভালোভাবেই সামলে নিয়েছেন কেন উইলিয়ামসন ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই জুটিতে হায়দরাবাদের স্কোরশিটে যোগ হয় ১২৪ রান। গুরুত্বপূর্ণ এই পার্টনারশিপ ভাঙেন তাবরেজ শামসি। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ওয়ার্নারকে এবি ডি ভিলিয়ার্সের তালুবন্দী করান তিনি। বিদায়ের আগে ৫০ বলে নয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কায় ৯২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক।

এর কিছুক্ষণ পরই ওয়াটসনের বলে ধরাশায়ী হন উইলিয়ামসন। তবে ফিফটি আদায় করে নিতে ভুল করেননি কিউই ব্যাটসম্যান। ৩৮ বলে সাতটি চারের সাহায্যে ৫০ রানের মূল্যবান ইনিংসটি দলকে উপহার দেন উইলিয়ামসন। শেষ দিকে নেমে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ময়েজেস হেনরিকস। ১৪ বলে একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। নুয়ান ওঝা (১) ও দিপক হুদা (২) নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। আশিষ রেড্ডি ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সেরা বোলার কেন রিচার্ডসন। ৩৩ রান খরচায় ১টি উইকেট লাভ করেন শেন ওয়ানসন। তাবরেজ শামসিও দখলে নেন একটি উইকেট। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেছেন ৩৯ রান।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts