ট্রেনের ঝাঁকুনি কমাতে অভিনব ব্যবস্থা

ট্রেনের ঝাঁকুনি কমাতে অভিনব ব্যবস্থা
Share Button

যাত্রীদের অভিযোগ ছিল, ট্রেন চলতে গেলেই ঝাঁকুনি খেতে হচ্ছে! আবার থামতে গিয়েও তীব্র ঝাঁকুনি!

নিজের আসনে শোওয়া-বসাই কার্যত দায় হয় করমণ্ডল এক্সপ্রেসে। আর অসুস্থ যাত্রীদের অবস্থা তো আরও কঠিন। ঝাঁকুনির জেরে দু’-একবার ট্রেনের কামরায় যাত্রীরা চলাফেরা করতে গিয়ে চোটও পয়েছেন। যাত্রীদের দাবী ছিল, এই পরিস্থিতিতে রেল কর্তৃপক্ষ এই গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনটির যাত্রা পথকে আরও মসৃণ করার কোনও পরিকল্পনা নিন।

গত ২৬ মার্চ ‘এবেলা’য় করমণ্ডল এক্সপ্রেসের এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে রেলকর্তারা ঝাঁকুনি কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিলেন বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি সূত্রের খবর। অবশেষে বৃহস্পতিবার ওই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনটির ঝাঁকুনি কমাতে তিন দফা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল।

কী সেই পরিকল্পনা?
রেলকর্তাদের একাংশ জানিয়েছেন, প্রথমত ওই ট্রেনের দু’টি কামরা জোড়ার জন্য যে ‘কাপলিং’ রয়েছে সেগুলি নতুনভাবে মেরামত করা হবে। দ্বিতীয়ত, আগামী এক মাসের মধ্যে ‘ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরির’ (আইসিএফ) তৈরি ৭৯টি কামরার পাশে নরম ‘বাফার’ লাগানোর ব্যবস্থা করা হবে। তৃতীয়ত, ‘কাপলিং’য়ে একটি অতিরিক্ত ‘লক’ লাগানো হবে। ইতিমধ্যেই রেল বোর্ডের তরফে ওই সব যন্ত্র এবং সরঞ্জামের বরাতও দেওয়া হয়েছে। রেলকর্তাদের বক্তব্য ওই অংশের দাবি, ‘কাপলিং’য়ের ত্রুটি এই তিন ব্যবস্থায় প্রায় পুরোটাই চলে যাবে। আর সেই ত্রুটি দূর করতে পারলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস চলার সময়ে যাত্রীদের আপাতত আর ঝাঁকুনিতে কষ্ট হবে না।

যাত্রীদের আরও অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরেই পুরনো কামরা দিয়েই চালানো হচ্ছে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। অথচ এই ট্রেনের উপরেই নির্ভর করেই বেঁচে রয়েছেন দক্ষিণে চিকিৎসা করাতে যাওয়া হাজার হাজার অসুস্থ যাত্রী। এছাড়া পর্যটকেরা তো রয়েছেনই। কিন্তু রেলকর্তারা বিষয়টি নিয়ে এতদিন তেমন ভাবিত ছিলেন না বলে অভিযোগ। রেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছেন, ‘লিঙ্ক হফম্যান বুশ’ (এলএইচবি) গোত্রের কামরা এলেই হাওড়া-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের রেকগুলির আমূল পরিবর্তন হবে।

 

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts