প্লিজ আমাকে নিয়ে লেখালেখি বন্ধ করুন: সালমা

সালমা 5

২০০৬ সালে ক্লোজআপ ওয়ান তারকা হওয়ার তিন বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যায় সালমার। ২০০৯ সালে দিনাজপুরে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়েই পরিচয় হয় দিনাজপুরের আওয়ামী লীগ নেতা শিবলী সাদিকের সঙ্গে। দুই বছর পর পারিবারিকভাবে হয় বিয়ে। এরও এক বছর পর কোল জুড়ে আসে সন্তান।

কিন্তু সংসার টিকিয়ে রাখতে পারল না সালমা। চার বছরের মেয়েকে নিয়ে এখন আলাদা আছেন কণ্ঠশিল্পী সালমা। ভেঙে গেছে সালমার পাঁচ বছরের সংসার। সালমার সংসার ভেঙে যাবার পর গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসছে নানা লেখা, কেউ জানাচ্ছে সমবেদনা, কেউ বা আবার চালাচ্ছেন অপপ্রচার, করছেন সমালোচনাও। এসব দেখে ত্যক্ত-বিরক্ত সালমা। জানিয়েছেন, এসব নিয়ে আর কিছু না লেখার অনুরোধ।

যেদিন সালমার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ হয়, সেদিন প্রায় সব গণমাধ্যমেই তা হয়ে উঠে সর্বাধিক পঠিত খবর। গণমাধ্যমকর্মীরাও সালমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার দুঃখ, কান্না, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, মেয়েকে নিয়ে চিন্তু-সবাই উঠে আসে পত্রিকায়। আসে স্বামীর বিরুদ্ধে তার তোলা অভিযোগের ফর্দ। স্বামী সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকও পাল্টা জবাব দেন। এক পর্যায়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগগুলো আসতে থাকে আরও বড় খবর হয়ে।

এসব দেখে হতাশ সালমা আরও ক্লান্ত বোধ করেন। পরিচিতজনদের অনুরোধ করেন এসব বন্ধ করতে। তাতেও কাজ হচ্ছে না দেখে ফেইসবুক পেজে শেষমেশ অনুরোধ জানালেন লেখালেখি বন্ধ করার।

নিজের ও কন্যা স্নেহার কয়েকটি ছবি পোস্ট করে সামলা লিখেন, ‘মা আর সন্তানের এই সম্পর্ক কোনো কিছুর বিনিময়ে হয় না। আমার স্নেহা আমার জীবন। ওকে আর গান নিয়ে বাকি জীবনটা পার করে দিতে চাই। পাশে থাকার জন্য আমার সকল ভক্তদের ধন্যবাদ। সবাইকে অনুরোধ করব, যা হয়ে গেছে তা নিয়ে দয়া করে আর কেউ কিছু লিখবেন না, এমনকি বলবেনও না।’

এমন অনুরোধ করার কারণও ব্যাখ্যা করেন জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী। তিনি লিখেন, ‘কারণ বারবার দেখে-শুনে কষ্টটা আরও বেশি হয়। আমার আর আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি, স্নেহা ও আমার গান- এ নিয়েই ভালো থাকতে চাই।’

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts