সুন্দরী নারীর ফাঁদে এমপি!

মেয়েদের সেক্সি কোমর পাওয়ার গোপন রহস্য ফাঁস!
Share Button

ভারতের লোকসভার এক এমপির অভিযোগ পেয়ে দিল্লিতে এক মধুচক্রের পান্ডার হদিশ পেতে সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় পুলিশ। ওই এমপি অভিযোগ, তার পানীয়ে মাদক মিশিয়ে ওই মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি তোলা হয়েছে। গোটা ঘটনার পিছনে রয়েছে সুন্দরী শিক্ষিত মহিলাদেরই একটি গ্যাং।
ওই এমপির আরো অভিযোগ, তার কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি রুপি চাওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে ওই আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে নিয়ে আসার হুমকি দিয়েছে দুষ্কৃতীদের গ্যাং। দিল্লি পুলিশের একটি সূত্র এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, দাবি না মেটালে ওই এমপির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনারও হুমকি দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।
দিল্লির স্পেশ্যাল কমিশনার মুকেশ মীনা জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।

ভারতীয় পার্লামেন্টের ওই এমপি অভিযোগ, সম্প্রতি মধুচক্রের পান্ডা ওই মহিলা তার কাছে সাহায্য চাইতে আসে। গাজিয়াবাদে ওই মহিলার বাড়িতে পৌঁছে দিতে অনুরোধ করে। এমপি যখন ‘সাহায্যপ্রার্থী’ মহিলাকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতে যান, তখন ওই মহিলা ঠান্ডা পানীয়ে মাদক মিশিয়ে তাকে অফার করে বলেও জানিয়েছেন ‘আক্রান্ত’ এমপি। তারপর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন ওই এমপি, আর কিছুই তাঁ মনে নেই বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি। যখন জ্ঞান ফেরে, তখন বুঝতে পারেন তিনি মধুচক্রের পাল্লায় পড়েছেন। সোজা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন পড়ে, তাহল এই মামলা স্পেশ্যাল সেল বা ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছেও পাঠানো হতে পারে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মহিলা ওই এমপিকে ফাঁসিয়েছে সে এর আগেও একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রভাবশালীদের ‘ব্ল্যাকমেল’ করেছে। একাধিক সুন্দরী মহিলাকে নিয়ে গড়া একটি গ্যাংও রয়েছে তার। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলা এর আগেও মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে প্রভাবশালীদের তার ফাঁদে পা দিতে বাধ্য করেছে। প্রথমে চায়ের নিমন্ত্রণ জানিয়ে, পরে সেই চায়ে মাদক মিশিয়ে প্রভাশালীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থার ছবি তুলে রাখত ওই মহিলা। ইংরাজিতে চোস্ত, দেখতেও দুর্দান্ত ওই মহিলাকে দেখে নাকি বোঝাই দায় যে তার বাড়িতেই নিয়মিত বসে মধুচক্রের আসর। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করত ওই মহিলা। অথবা কোনও উঁচু পদে চাকরি। দাবি না মানা হলে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার হুমকি দিত ওই চক্রের পান্ডা। গত বছরও আর এক এমপির বিরুদ্ধে এরকম মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছিল অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশ সেই ঘটনার ফাইলও যাচাই করে দেখছে বলে খবর মিলেছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts