গোনাহ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহর (সা.) বর্ণনা

সবচেয়ে বড় গোনাহ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সবচেয়ে বড় গোনাহ সম্পর্কে জানতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রশ্নের উত্তরে মুসলিম উম্মাহর জন্য নসিহতস্বরূপ একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস বর্ণনা করেন। যা তুলে ধরা হলো- হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবচেয়ে বড় গোনাহ কোনটি? তিনি বললেন, কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা। অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, তারপর কোনটি? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার সঙ্গে খাবে, এ…

Read More

কিয়ামত পর্যন্ত রুহ কোথায় থাকবে?

আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেন, ‘এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দেব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।’ (সুরা ত্বাহা : আয়াত ৫৫) আল্লাহ তাআলা সব মানুষের রুহকে সৃষ্টি করে ‘আলমে আরওয়াহ’তে রেখেছেন। সেখান থেকে সময়ের ব্যবধানে পর্যায়ক্রমে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। মানুষ তার নির্দিষ্ট জীবন অতিবাহিত করার পর মৃত্যুর মাধ্যমে কিয়ামত পর্যন্ত আলমে বরজাখ তথা অন্তর্বর্তীকালীন জীবন বা কবরের জীবনে অবস্থান করবে। কিয়ামতের পর হাশরের ময়দানে মানুষের বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সেদিন বিচার পরিচালনা করবেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। হাশরের ময়দানের ফয়সালা অনুযায়ী মানুষের চিরস্থায়ী…

Read More

কখন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে?

কিয়ামতের নিদর্শনগুলো যখন সংঘটিত হতে থাকবে; তখন তা একটার পর একটা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হতে থাকবে। কিয়ামতের সর্ব প্রথম যে বড় আলামতটি প্রকাশ পাবে, তা হলো আগুন নির্গমন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের নিদর্শনগুলো প্রকাশের ব্যাপারে হাদিসে একটি চমৎকার উদাহরণ পেশ করেছেন- তিনি ঘটনাটি এভাবে বর্ণনা করছেন যে, ‘পুঁতির মালার বাঁধন খুলে গেলে যেমন দানাগুলো পর্যায়ক্রমে একটির পর অপরটি বেরিয়ে আসতেই থাকে; তেমনি (কিয়ামতের) নিদর্শনগুলোর প্রকাশ পরস্পর ধারাবাহিকভাবে ঘটতেই থাকবে।’ (ইবনে হাব্বান, সহিহ জামে) তারপরও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে কিয়ামত অনুষ্ঠিত না হওয়া সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। হজরত…

Read More

যেভাবে ডাকলে আল্লাহ সাড়া দেন

যে ডাকে আল্লাহ সাড়া দেন

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলাকে আহ্বান করে না বা তাঁর কাছে কিছু চায় না; আল্লাহ ওই বান্দার প্রতি রাগান্বিত হন। সুতরাং আল্লাহকে ডাকা, তাঁর কাছে কোনো কিছু প্রার্থনা করা, তাঁর কাছেই সব বিষয়ের সাহায্য চাওয়া বান্দার জন্য সর্বোত্তম এবং কল্যাণের। কারণ তিনিই বান্দার আশা-ভরসার নির্ভরযোগ্য স্থল। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার কাছে তাঁর ইসমে আজমযুক্ত নাম দ্বারা কোনো কিছু প্রার্থনা করবে; আল্লাহ তাআলা তার আহ্বান কবুল করবেন, তাঁর ডাকে সাড়া দেবেন। তাঁর দোয়া কবুল করবেন। হজরত বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া…

Read More

নামাজের স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

নামাজের স্বাস্থ্য উপকারিতা

নামাজ ইসলাম ধর্মের একটি উপসনা।প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। নামাজের মাধ্যমে একজন মুসলমান সৃষ্টিকর্তার আনুগত্য প্রকাশ করেন। এই নামাজের রয়েছে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শুধু মানুষকে কুপ্রবৃত্তি থেকেই দূরে রাখে না, এটা শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে। নামাজ অত্যন্ত উত্তম ব্যায়াম। মানুষ যখন মন দিয়ে নামাজ পড়ে তখন তা মেডিটেশনের (ধ্যান) কাজ দেয়, যা মনকে স্থির করে। চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া নামাজে হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো যেভাবে নড়াচড়া করা হয় সেটা অত্যন্ত উত্তম ব্যায়ামের কাজ দেয়; বিজ্ঞানও তা সমর্থন করেছে।…

Read More

যে সম্পদের ওপর যাকাত প্রযোজ্য

Jakat

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের জন্য পরিপূর্ণ জাকাত ব্যবস্থা পেশ করেছেন। জাকাতের সময়, পরিমাণ, নিসাব, যাদের ওপর জাকাত ফরজ এবং যারা জাকাতের হকদার ইত্যাদি বিষয়ে সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি এ জাকাত ব্যবস্থায় ধনী ও দারিদ্র্য উভয় শ্রেণীল স্বার্থের প্রতি পূর্ণ খেয়াল রেখেছেন। যে সকল সম্পদের জাকাত দিতে হবে- আল্লাহ তাআলা সম্পদশালী ও তার সম্পদকে পবিত্র করার জন্যই জাকাতকে ফরজ করেছেন। এ জাকাতের মাধ্যমেই আল্লাহ তাআলা ধনীদের নিয়ামাতের হিফাজত করেছেন। যে ব্যক্তি জাকাত প্রদান করে থাকে সে নিয়ামাত শূন্য হওয়া থেকে নিরাপদ থাকার পাশাপাশি সম্পদের বরকত এবং বৃদ্ধি হয়। তাই…

Read More

হজে গিয়ে সাত বাংলাদেশীর মৃত্যু

তারাবিহ নামাজের মুনাজাত

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে ৭ বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। গত ১৫ দিনে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে তারা মারা যান। সাতজনের মধ্যে পাঁচজনের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তারা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জোহরা খাতুন (৬১)। তিনি গতকাল শনিবার মদিনা আল মুনাওয়ারাতে ইন্তেকাল করেন, তার পাসপোর্ট নম্বর ০০০২৯৭৫। রংপুর জেলার হেলাল উদ্দিন (৬৪) ১৯ আগস্ট মারা যান, তার পাসপোর্ট নম্বর বিই ০১৫৪৭১৬। চট্টগ্রাম জেলার মো. রেহানউদ্দিন (৭৩) ১৬ আগস্ট মদিনায় মারা যান, তার পাসপোর্ট নম্বর বিকে ০২০৪৬৯১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার…

Read More

জুমআর দিন যে ছোট্ট আমল করলে ৮০ বছরের গোনাহ মাফ হয়

jumar diner Amal 1

মানুষ ইচ্ছায় অনিচ্ছায় অনেক গোনাহ করে থাকে। এ সকল গোনাহ থেকে পরিত্রান লাভের জন্য অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য এ রকম অনেক আমলের কথা বলেছেন। হাদিসের ছোট্ট একটি আমল তুলে ধরা হলো- >> হাদিসে এসেছে যে ব্যক্তি জুমআর দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি এ ছোট্ট দরূদ পাঠ করবে, তার জন্য অনেক সাওয়াব রয়েছে। আমলটি হলো- উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আ’লা আলিহি ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।’ এ দরূদ পড়ার ফজিলত যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর ৮০…

Read More

জুমআ’র নামাজ পরিত্যাগকারীদের বিষয়ে মহানবি যা বললেন

Juma-Namaj-fajilat

যে বা যারা জুমআর নামাজ হতে বিমুখ থেকে খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্য অথবা পার্থিব কোনো কাজ-কর্মে নিজেকে ব্যস্ত রাখে। আল্লাহ তাআলাও তার দিক থেকে বিমুখ থাকেন। অর্থাৎ সে ব্যক্তির কোনো ইবাদাত-বন্দেগি আল্লাহর তাআলার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা অনেক বড় অভিসম্পাত। কোনো ওজর বশত জুমআ পরিত্যাগ করা, তা ভিন্ন কথা। কিন্তু সক্ষম ও সামথ্যবান সবাইকে জুমআর নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়ার ব্যাপারে কুরআন হাদিসে সুস্পষ্ট সতর্কতা ও শাস্তির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী জুমআর দিন যেহেতু সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনের অসংখ্য ফজিলত ও গুরুত্ব রয়েছে।…

Read More

ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম

ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত

অনেকের ধারণা নামাজের নিয়ত আরবিতে করা জরুরি। এমনটি ঠিক নয়। যে কোনো ভাষাতেই নামাজের নিয়ত করা যায়। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট। সেক্ষেত্রে ঈদের দিন ইমামের পেছনে কিবলামুখি দাঁড়িয়ে মনে মনে এই নিয়ত করতে হবে— ‘আমি অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করছি।’ এরপর উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বেঁধে নিবেন। হাত বাঁধার পর ছানা অর্থাৎ ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা’ শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। এরপর আল্লাহু আকবার বলে হাত কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দেবেন। দ্বিতীয়বারও একই নিয়মে তাকবির বলে হাত ছেড়ে…

Read More